Saturday, September 22, 2018

Fritz and the Comeback by Gabirel Adams

As part of an initiative for Rickshaw Girl movie, I got introduced to Producer Eric J Adams. Recently in an email conversation knowing my passion for chess, he mentioned that his son Gabriel Adams produced a short film on a homeless chess master on his comeback to chess after 20 years. Gabriel actually arranged this man to play in this competitive tournament chess at Concord Open 2013 (if I remember correctly, I and my son Ahyan also played that same tournament) and made this film based on his comeback. While watching this you will get some food for thought on how a chess master thinks, be he/she a millionaire or a homeless, about life! I could feel his soul myself, his spoken and unspoken words. Thank you Gabriel for everything you did for Fritz, and thus indirectly, to all passionate chess lovers.

Fritz and the Comeback from Gabriel Adams on Vimeo.

I checked with the Director of Mechanics Chess Institute IM John Donaldson about Fritz. He is one of the most knowledgable chess historians of our time. He sent me 2 links where it was widely covered during that 2013 tournament time.

Thursday, September 13, 2018


Singer Juga produced this song out of frustration from loosing a game that she thought she was winning! Remembering Capablanca's quote that you can't be a master without loosing hundred games, she brought him back in this unique creative achievement! And of all, my most favorite world chess champion is Jose Raul Capablanca!!

Ahyan Won CalChess State Champion in Under 1600

Ahyan became CalChess State Champion in Under 1600 rating group in the Labor Day Weekend Tournament of 2018. He scored 5 out of 6 along with Mohammad S Khan. With the champions trophy he also got 966 dollars prize check and a 51 rating points increase to push him to the next rating group. You may find the full standings here.

My own performance in Under 2200 group was a disaster scoring 2 out of 6 and am pushed down 52 rating points and 1 group below. Ahyan is now 1 rating group behind to catch me. Also I ran for the CalChess Board Membership during this tournament. I lost by 2 votes less than the 4th board member who was elected but I see lots of responses from chess players and parents. I will try it again next year. Thanks to everyone who voted for me, supported me and encouraged me.

Wednesday, August 29, 2018

Please Vote for Me in CalChess Board of Directors General Election

It's time for this year's CalChess State Open Championship. It's being organized by Berkeley Chess School during September 1-3 at Crowne Plaza Silicon Valley N- Union City, 32083 Alvarado-Niles Rd, Union City, CA 94587, USA. To register for the tournament or know more details please check .

This year I will be running for the general election of CalChess Board of Directors which will be held in the 2nd day of the tournament in the same place. The board is comprised of 8 members each serving for 2 years. Every year 4 of the 8 positions are open for re-election. So this year's 4 positions will be contested by the following candidates.
  • Kiki Chen
  • George Jeffers
  • Tom Langland (incumbent)
  • Joe Lonsdale (incumbent)
  • Stephen Shaughnessy (incumbent)
  • Dr. Judit Sztaray (incumbent)
  • Ashik Uzzaman (me)
  • Hui Wang
If you are a CalChess member for at least last 1 month and are 14 years or older, you are eligible to vote in person. If you find your name in the following list, please come to vote - . You can vote 1 to 4 candidates. But if you vote 5 or more candidates, your ballot will be declared invalid. I hope you will give me a chance to serve you as a board member by voting me as 1 of your 4 choices.

Let me tell you why. I have been playing chess since my childhood and am a USCF Candidate Master. I am also a chess parent and my son Ahyan Zaman is the current  G/30 National Champion in Under 1600 rating class. I have been involved in various local chess tournaments not only as a player but also as a TD and promoter occasionally. Chess runs in my family and I understand the dreams and pains of chess players as well as chess parents. I am also advisor of ACPB (Association of Chess Players of Bangladesh). Outside of chess, I have served as President of BABA (Bay Area Association of Bangladesh) and am advisor of several startups. 

I see a big potential for Chess In General in USA and Northern California in particular. With the upcoming Caruana - Carlsen World Championship fight this November, and outstanding performances of GM Sam Shankland from our area, we are in a fortunate time for chess. If elected, I will work on promoting CalChess as a brand and approach the corporate sponsors of different software companies in Sillicon Valley. Being a software engineer, I worked with Mechanics Chess Institute to arrange two inter-software-company team tournaments in San Francisco couple of years back. I will do my best to showcase CalChess as a viable option for the companies who usually have large marketing budget. For this to happen, we need to also step up on the social presence of CalChess which I will work on with CalChess board. In short, I offer - 
  • Attracting Corporate Sposnsorship Into Chess
  • Improve CalChess Social Web Presence
  • Write chess articles on behalf of CalChess
  • Chess Event Coverage
  • Promoting both Scholastic and Adult Chess

2018 CalChess Annual Meeting and General Elections

Date: Sept. 2, 2018 (Sunday)
Location: Crowne Plaza Silicon Valley
     32083 Alvarado-Niles Rd
     Union City, CA 94587
Agenda: 9:00am - approx. 3:45pm
     Balloting will be open to eligible CalChess members. See Lynn Reed or Ruth Haring onsite to vote. You must pick up and cast a ballot IN PERSON, No exceptions!
     3:30 - 3:45pm - Candidate Statements (Bay Room)
     3:45 -4:00pm - Counting of ballots (Bay Room)
     4:00pm - 5:00pm - Standard business. (Bay Room)

Tuesday, June 12, 2018

My Article on Radio Bangla NY Newspaper about Current State of Chess in Bangladesh

দেশের দাবার বর্তমান অবস্থা

দুই দিন ব্যাপী রেকট্যাংগল রেপিড চেস টুর্নামেন্টের উদবোধনী চাল দিচ্ছেন গ্রান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান

অফিসে প্রোজেক্টের মাঝখানে হঠাৎ করে ১০ দিনের একটা ফাঁক পেয়ে বাংলাদেশে ঘুরে আসলাম গত মাসে। দীর্ঘদিন দেশে দাবাখেলেছি আমেরিকা আসার আগে। তাই দেশে যাবার কথা মনে হলেই বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের কথা যেমন মনে পরে, তেমনি মনে পরে আমার দাবার সহ-খেলোয়াড়দের কথা। ৯০এর দশকের মাঝামাঝি ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে ক্লাস শেষ করে বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দাবা ফেডারেশনে চলে যেতাম খেলতে। সারা সন্ধ্যা এমনকি রাত দশটা পর্যন্ত খেলে উল্টো দিকের চায়ের দোকানে বসে পুরি ভাগ করে খেতে খেতে বোর্ড গুটির অভাবে মুখে মুখে খেলে ফেলতাম দুই একটা গেম। যেই বয়সে বন্ধুরা মেয়েদের সাথে ডেটিং করে বেড়াতো, সেই বয়সে আমরা ৬৪ ঘরের বোর্ডে মুখ বুজে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে চেয়ে রাইতাম ববি ফিশার অথবা কাপাব্লাঙ্কার একটা তাক লাগানো চাল দেখে!
আমি দেশে রওনা হবার দুই দিন আগে গোল্ডেন স্পোর্টিং ক্লাবের আমির আলী রানা ভাই ফেসবুকে নক করলেন - "শুনলাম ঢাকা আসছেন? আপনি তো আসলে একটা টুর্নামেন্ট দেন, এবার করবেন না?" টুর্নামেন্ট স্পনসর করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু সময়ের অভাবে ঢাকায় যোগাযোগ করে রাখতে পারিনি আগে। তাই রানা ভাই যখন বললেন উনি আয়োজনের সব ব্যবস্থা করবেন, আমার শুধু একটা স্পন্সরের নাম আর টাকাটা জোগাড় করতে হবে, আমি সানন্দে রাজি হয়ে গেলাম। আমার দীর্ঘ দিনের দাবা বন্ধু শাকিল আর পরাগের সাথেও কথা বলে নিলাম।রানা ভাই ম্যাজিসিয়ানের মতো অল্প সময়ে সবআয়োজন করে ফেললেন। দাবা ফেডারেশনে খেলা হবে দুই দিন সকালে। চিফ গেস্ট গ্রান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান এবং আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার রানী হামিদ। আমার ভাই রাশেদুজ্জামানের ব্র্যান্ড প্রমোশন কোম্পানি রেকট্যাংগল বিডি এর নাম অনুযায়ী এর নাম রাখা হলো রেকট্যাংগল রেপিড চেস টুর্নামেন্ট।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হলো ৮ই মে দাবা ফেডারেশনে। ঐদিন চার রাউন্ড খেলা আর পরদিন ৩ রাউন্ড, সাথে আবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। তাইবুর রহমান সুমন ভাই চ্যাম্পিয়ন হলেন আর জিয়া ভাই রানার আপ। কাকতালীয় ভাবে একই সময়ে শিপলু (ফিদে মাস্টার এবং আমার পুরোনো বন্ধু) অস্ট্রেলিয়া থেকে কিছুদিনের জন্য ঢাকা এসেছে। ফেসবুকের কল্যানে ও জানতে পারলো আমি ঢাকায়। সেও আমাদের সাথে জয়েন করলো টুর্নামেন্ট এর দ্বিতীয় দিন।ফেডারেশনে পুরোনো অনেক খেলোয়াড়কে পেয়ে গেলাম। রানী আপা এই বয়সেও শিশুর মতো আগ্রহ নিয়ে গুটি চালছেন। শুধু তাই না উনি এবছরেও ন্যাশনাল ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন হয়ে আরেকটা রেকর্ড করলেন মাত্র কয়দিন আগে। জিয়া ভাই আগের মতোই খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশে আর বাইরে। জিয়া ভাই, সুমন ভাই, শিপলু, শাকিল আর পরাগ একটা গেমের পোস্ট মর্টেম করছে। আর ইন্টারন্যাশনাল আরবিটার হারুন ভাই আগের মতোই বলে উঠছেন, "শব্দ করা যাবে না, পাশের রুমে খেলা চলছে।"
তবে সবার কাছ থেকেই জানতে পারলাম দেশের দাবা অঙ্গন হুমড়ি খেয়ে পরে আছে। রানা ভাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন কিন্তু ফেডারেশনের আরো টুর্নামেন্ট আয়োজন করা দরকার। যথেষ্ট টুর্নামেন্ট না থাকায় ভালো খেলোয়াড় বেরিয়ে আসছে না। তরুণ খেলোয়াড়েরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে আর পুরোনো খেলোয়াড়েরা হতাশ। ফেডারেশন বছরে হাতে গোনা কয়টা ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ, প্রিমিয়ার ডিভিশন লীগ টুর্নামেন্ট করেই খালাস। রাজিব-রাকিবের পর অনেকগুলো বছর আমরা কোনো গ্রান্ড মাস্টার পাই নি। দুই তরুণ আন্তর্জাতিক মাস্টার সাগর আর শাকিল চেষ্টা করে যাচ্ছে কিন্তু যদি বছরে ২টা গ্রান্ড মাস্টার টুর্নামেন্ট করা যেত তবে হয়তো অনেকের জন্যই কাজটা আর অসম্বভ হয়ে থাকতো না। কিশোর ফিদে মাস্টার ফাহাদ রহমান এর মাঝেই উঠে আসছে, কিন্তু তার প্রথমে ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার টাইটেল জিততে হবে। ফিদে মাস্টার কায়েস ভাই কিছুদিন আগে চলে গেলেন কানাডা। আরো অনেক খেলোয়াড় বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন আগেই।
দেশে স্পনসর করার মতো বিত্তশালী লোকের অভাব নেই, কিন্তু তারা সবাই ক্রিকেটে টাকা দিচ্ছে, ব্র্যান্ড মার্কেটিং এ সুবিধা হয়। কিন্তু অন্য খেলা গুলো ও তো বাঁচিয়ে রাখতে হবে। মাসে একটা দাবার রেটিং টুর্নামেন্ট করা যে অনেক খরচের ব্যাপার তাও তো না। খেলোয়াড়রা নিজস্ব খরচে যতটুকু সম্ভব করে যাচ্ছে। আমার এখানে আমেরিকার কথা বাদ ই দিলাম, পাশের দেশ ইন্ডিয়া তে কর্পোরেট স্পনসর আর সরকারের সহযোগিতায় অনেক অনেক ভালো খেলোয়াড় প্রতিদিন বেরিয়ে আসছে। অথচ উপমহাদেশের প্রথম গ্রান্ড মাস্টার কিন্তু ভারতের প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন আনন্দ নয়, বরং আমাদের গ্রান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ। খুব বেশি দাবাখেলোয়াড় বাংলাদেশে স্বচ্ছল বেবসা বাণিজ্য করছে এমন শুনি না।
যেই অল্প কয়েকজন আছেন, তা যথেষ্ট নয়। এইজন্য এগিয়ে আসতে হবে আমাদের সকল প্রাক্তন দাবা খেলোয়াড় এবং দাবানুরাগীদের। সাথে দরকার কর্পোরেট এবং সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা। দূরে থেকে আমরা দুই বছরে একটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে কিছু করতে পারব না। টুর্নামেন্ট হতে হবে নিয়মিত। আমি যেই সময়টায় ঢাকায় খেলতাম তখন অবস্থা অনেক ভালো ছিল এখনকার তুলনায়। মাঝের কিছু ফেডারেশন কমিটি দেশের দাবাকে জোর করে ধরে পেছনে নিয়ে গেছে।
কিন্তু হতাশ হয়ে বসে থেকে লাভ নেই। সামনের দিকে আমাদের চোখ তুলে তাকাতে হবে। ক্রিকেট আর ফুটবলের পর দাবাতেই আমরা তুলনামূলক ভাবেশক্তিশালী । পাঠক, আপনারা কি দাবাঙ্গনের উন্নয়নে কোনোভাবে অংশগ্রহন করতে পারেন?
আশিক উজ্জামান,
সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, রোকু ইনক., সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া